আন্তর্জাতিক চুক্তি ও সমঝোতা কার্যকর করার জন্য আইন প্রণয়ন
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
অনুচ্ছেদ 253 (আন্তর্জাতিক চুক্তি ও সমঝোতা কার্যকর করার জন্য আইন প্রণয়ন): ১১শ অংশের অধীনে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে আইন প্রণয়ন ও প্রশাসনিক ক্ষমতা বণ্টনের যুক্তরাষ্ট্রীয় বিধান।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
সংবিধানের ১১শ অংশের (কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক) অনুচ্ছেদ 253 'আন্তর্জাতিক চুক্তি ও সমঝোতা কার্যকর করার জন্য আইন প্রণয়ন' পরিচালনা করে। এটি সপ্তম তফসিলের কেন্দ্রীয়, রাজ্য ও যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, জিএসটি (২৪৬এ), কেন্দ্র-রাজ্য আইনের বিরোধ নিষ্পত্তি (২৫৪), আন্তঃরাজ্য নদী জল বিরোধ (২৬২) এবং আন্তঃরাজ্য পরিষদের (২৬৩) সাংবিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
প্রধান সাংবিধানিক বিধান ও মূল বিষয়
সাংবিধানিক বিধান (অনুচ্ছেদ 253): Part XI-এর অধীনে 'আন্তর্জাতিক চুক্তি ও সমঝোতা কার্যকর করার জন্য আইন প্রণয়ন' বিষয়ে বাধ্যতামূলক আইনি নিয়ম নির্ধারণ করে
এটি একটি প্রত্যক্ষ ও সুস্পষ্ট সাংবিধানিক নির্দেশ যা সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের জন্য পালন করা বাধ্যতামূলক
স্বেচ্ছাচারী প্রশাসনিক আদেশের পরিবর্তে সংসদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও জবাবদিহিতা বাধ্যতামূলক করে
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
এস.আর. বোম্মাই বনাম ভারত সরকার (১৯৯৪) রায় অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো (Federalism) সংবিধানের মূল কাঠামোর অংশ; কেন্দ্র বা রাজ্য কেউই অপরের একচেটিয়া সাংবিধানিক এখতিয়ার হরণ করতে পারে না।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
স্পষ্ট করে যে পুলিশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জিএসটি বা প্রতিরক্ষার মতো বিষয়ে কোন সরকার (কেন্দ্র না রাজ্য) আইন তৈরি করবে এবং নাগরিকের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন: