চাকরি ও পদের ক্ষেত্রে তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিদের দাবি
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
অনুচ্ছেদ 335 (চাকরি ও পদের ক্ষেত্রে তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিদের দাবি): ১৬শ অংশের অধীনে তপশিলি জাতি, তপশিলি উপজাতি ও অনগ্রসর শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব এবং জাতীয় কমিশন সংক্রান্ত বিধান।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
সংবিধানের ১৬শ অংশের অনুচ্ছেদ 335 'চাকরি ও পদের ক্ষেত্রে তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিদের দাবি' নির্ধারণ করে। এটি লোকসভা (৩৩০) ও রাজ্য বিধানসভায় (৩৩২) তপশিলি জাতি (SC) ও উপজাতিদের (ST) আসন সংরক্ষণ, সরকারি চাকরিতে দাবি (৩৩৫), এবং জাতীয় তপশিলি জাতি কমিশন (৩৩৮), জাতীয় তপশিলি উপজাতি কমিশন (৩৩৮এ) ও অনগ্রসর শ্রেণীর সাংবিধানিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করে।
প্রধান সাংবিধানিক বিধান ও মূল বিষয়
সাংবিধানিক বিধান (অনুচ্ছেদ 335): Part XVI-এর অধীনে 'চাকরি ও পদের ক্ষেত্রে তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিদের দাবি' বিষয়ে বাধ্যতামূলক আইনি নিয়ম নির্ধারণ করে
এটি একটি প্রত্যক্ষ ও সুস্পষ্ট সাংবিধানিক নির্দেশ যা সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের জন্য পালন করা বাধ্যতামূলক
অনুচ্ছেদ 335 লঙ্ঘন করে গৃহীত যেকোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট (অনুচ্ছেদ ২২৬) বা সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ জানানো যায়
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
অনুচ্ছেদ ৩৪১ ও ৩৪২ অনুযায়ী তপশিলি জাতি বা উপজাতি তালিকায় যেকোনো সংযোজন বা পরিবর্তন কেবলমাত্র সংসদের আইন দ্বারাই করা সম্ভব।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে আইনসভায় প্রতিনিধিত্ব দেয় এবং বৈষম্য বা নির্যাতনের তদন্তের জন্য জাতীয় কমিশনকে দেওয়ানি আদালতের ক্ষমতা প্রদান করে।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন: