কোনো রাজ্যের জনসংখ্যার একটি অংশের দ্বারা কথিত ভাষা সংক্রান্ত বিশেষ বিধান
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
অনুচ্ছেদ 347 (কোনো রাজ্যের জনসংখ্যার একটি অংশের দ্বারা কথিত ভাষা সংক্রান্ত বিশেষ বিধান): ১৭শ অংশের অধীনে কেন্দ্র ও রাজ্যের সরকারি ভাষা, আদালতের ভাষা এবং ভাষাগত সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার বিধান।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
সংবিধানের ১৭শ অংশের (সরকারি ভাষা) অনুচ্ছেদ 347 'কোনো রাজ্যের জনসংখ্যার একটি অংশের দ্বারা কথিত ভাষা সংক্রান্ত বিশেষ বিধান' পরিচালনা করে। এটি কেন্দ্রের সরকারি ভাষা (৩৪৩), রাজ্যসমূহের নিজস্ব সরকারি ভাষা (৩৪৫-৩৪৭), সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের ভাষা (৩৪৮), যেকোনো ভাষায় সরকারি দপ্তরে অভিযোগ বা আবেদন জানানোর নাগরিক অধিকার (৩৫০) এবং মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষার (৩৫০এ) সুরক্ষা দেয়।
প্রধান সাংবিধানিক বিধান ও মূল বিষয়
সাংবিধানিক বিধান (অনুচ্ছেদ 347): Part XVII-এর অধীনে 'কোনো রাজ্যের জনসংখ্যার একটি অংশের দ্বারা কথিত ভাষা সংক্রান্ত বিশেষ বিধান' বিষয়ে বাধ্যতামূলক আইনি নিয়ম নির্ধারণ করে
এটি একটি প্রত্যক্ষ ও সুস্পষ্ট সাংবিধানিক নির্দেশ যা সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের জন্য পালন করা বাধ্যতামূলক
এই অনুচ্ছেদের অধীনে সাংবিধানিক পদের ক্ষমতা গণতান্ত্রিক পরামর্শ ও সাংবিধানিক রীতিনীতি মেনেই প্রযুক্ত হয়
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
অনুচ্ছেদ ৩৫০ অনুযায়ী কেন্দ্র বা রাজ্যে ব্যবহৃত যেকোনো ভাষায় লেখা নাগরিকের আবেদন বা অভিযোগ শুধুমাত্র ভাষার কারণে কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষ খারিজ করতে পারে না।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ভারতের বহুভাষিক ঐতিহ্যের মর্যাদা রক্ষা করে এবং নাগরিকদের নিজের ভাষায় সরকারি পরিষেবা ও অভিযোগ জানানোর অধিকার নিশ্চিত করে।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন: