সংবিধানের প্রবর্তন (Commencement)
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
অনুচ্ছেদ 394 (সংবিধানের প্রবর্তন (Commencement)): ২২শ অংশের অধীনে সংবিধানের নাম, বলবৎ হওয়ার তারিখ (২৬ জানুয়ারি ১৯৫০), হিন্দিতে প্রামাণ্য পাঠ এবং ঔপনিবেশিক আইনের বিলোপ।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
সংবিধানের সর্বশেষ ২২শ অংশের (অনুচ্ছেদ ৩৯৩-৩৯৫) অনুচ্ছেদ 394 'সংবিধানের প্রবর্তন (Commencement)' সংক্রান্ত ঐতিহাসিক বিধান দেয়। অনুচ্ছেদ ৩৯৩ এই দলিলের নাম দেয় 'ভারতের সংবিধান', অনুচ্ছেদ ৩৯৪ ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ তারিখটিকে পূর্ণ প্রবর্তনের দিন ঘোষণা করে, অনুচ্ছেদ ৩৯৪এ হিন্দিতে প্রামাণ্য পাঠের বিধান দেয় এবং অনুচ্ছেদ ৩৯৫ ব্রিটিশ আমলের ১৯৩৫ ও ১৯৪৭ সালের আইন বাতিল করে ভারতের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করে।
প্রধান সাংবিধানিক বিধান ও মূল বিষয়
সাংবিধানিক বিধান (অনুচ্ছেদ 394): Part XXII-এর অধীনে 'সংবিধানের প্রবর্তন (Commencement)' বিষয়ে বাধ্যতামূলক আইনি নিয়ম নির্ধারণ করে
এটি একটি প্রত্যক্ষ ও সুস্পষ্ট সাংবিধানিক নির্দেশ যা সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের জন্য পালন করা বাধ্যতামূলক
অনুচ্ছেদ 394 লঙ্ঘন করে গৃহীত যেকোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট (অনুচ্ছেদ ২২৬) বা সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ জানানো যায়
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
অনুচ্ছেদ ৩৯৫ দ্বারা ব্রিটিশ সংসদের আইন বাতিল করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে ভারতের সংবিধানের একমাত্র উৎস হলো 'আমরা, ভারতের জনগণ'।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ তারিখে ভারতকে ঔপনিবেশিক আইনের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে একটি পূর্ণ সার্বভৌম গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন: