পরিবেশের সুরক্ষা ও উন্নয়ন এবং বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষা
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
পরিবেশ, বনভূমি ও বন্যপ্রাণীর সুরক্ষা: দেশের পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন এবং বনভূমি ও বন্যপ্রাণীর সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রকে সাংবিধানিক নির্দেশ দেয়।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
৪২তম সংবিধান সংশোধনী (১৯৭৬) দ্বারা সংযোজিত ধারা ৪৮A, ধারা ৫১A(g) (নাগরিক কর্তব্য) এবং ধারা ২১ (জীবনের অধিকার)-এর সাথে মিলে ভারতের 'সবুজ সংবিধান' গড়ে তুলেছে। সুপ্রিম কোর্ট এই তিনটি ধারাকে একত্রে পাঠ করে 'দূষণকারী ক্ষতিপূরণ দেবে' (Polluter Pays Principle) নীতি প্রতিষ্ঠা করেছে এবং ২০২৪ সালে 'জলবায়ু পরিবর্তনের (Climate Change) বিরূপ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার অধিকার'-কে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
প্রধান সাংবিধানিক বিধান ও মূল বিষয়
জলবায়ু পরিবর্তনের (Climate Change) ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষিত থাকার মৌলিক অধিকার (এম.কে. রণজিৎসিং রায়, ২০২৪)
বেআইনি বৃক্ষচ্ছেদন, জলাশয় ভরাট বা কারখানার দূষণের বিরুদ্ধে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল (NGT) বা হাইকোর্টে যাওয়ার অধিকার
দূষণকারী কারখানার কাছ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিকদের ক্ষতিপূরণ আদায়ের অধিকার (Polluter Pays Principle)
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলিকে "স্থিতিশীল উন্নয়ন" (Sustainable Development) এবং পরিবেশগত ছাড়পত্রের নিয়ম মেনে চলতে হয়।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
পাড়ার পুকুর বা জলাভূমি ভরাট, বেআইনিভাবে গাছ কাটা বা বসতি এলাকায় বিষাক্ত বর্জ্য ফেলার বিরুদ্ধে আদালতের মাধ্যমে রুখে দাঁড়াতে নাগরিকদের ক্ষমতা দেয়।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন: