জরুরি নাগরিক হেল্পলাইন

নাগরিক সুরক্ষা কবচ • বাস্তব আইনি অধিকার

বাস্তব পরিস্থিতিতে আপনার পূর্ণাঙ্গ আইনি অধিকার

ট্রাফিক পুলিশ, তল্লাশি, মোবাইল চেক, নারী সুরক্ষা, বাড়িভাড়া বা জরুরি হাসপাতাল — আইন কী বলে এবং মুখে কী বলতে হবে তা জানুন।

গ্রাহক ও ব্যাংকিং অধিকার

দেখানো হচ্ছে 9–16 মোট 16 অধিকার
রিসেট
📄 নাগরিক পকেট লিগ্যাল শিল্ড (অফলাইন প্রিন্ট / সেভ) বাইকের চাবি, ফোন চেক, নারী গ্রেফতার ও জিরো এফআইআর-এর ১০টি শীর্ষ অধিকার প্রিন্ট করে নিজের কাছে রাখুন।
পকেট কার্ড দেখুন →
Consumer Shield ⚠️ PAID PARKING OPERATOR IS LIABLE FOR THEFT 🌐 দেশজুড়ে প্রযোজ্য

মলের পেইড পার্কিং থেকে গাড়ি চুরি বা ক্ষতি: "মালিকের নিজ ঝুঁকিতে" লেখা কি আইনসিদ্ধ?

না! সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায় অনুযায়ী, টাকা নিয়ে পার্কিং করালে কর্তৃপক্ষ গাড়ির সুরক্ষার জন্য দায়বদ্ধ। রসিদে "নিজ ঝুঁকিতে পার্কিং" লিখে তারা দায় এড়াতে পারে না।

প্রাসঙ্গিক আইন ও ধারা: Section 148, 151 Indian Contract Act 1872 & Supreme Court in Taj Mahal Hotel v. United India Insurance (2019)
সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ: Article 300A (Right to Property Protection), Article 14 (Protection from arbitrary disclaimers) (অনুচ্ছেদ 300A →) (অনুচ্ছেদ 14 →)
কর্মকর্তাকে শান্ত ভাষায় যা বলবেন:
🛡️ অনুচ্ছেদ 300A, 14 কবচ
“ম্যানেজার মহাশয়, Section 148, 151 Indian Contract Act 1872 & Supreme Court in Taj Mahal Hotel v. United India Insurance (2019) অনুযায়ী, পার্কিং ফি গ্রহণ করলেই চুক্তি আইনের ১৪৮ ধারা অনুযায়ী বেইলমেন্টের আইনি দায়িত্ব বর্তায়। সংবিধানের Article 300A (Right to Property Protection), Article 14 (Protection from arbitrary disclaimers) অনুযায়ী বৈধ আইনি প্রক্রিয়া ও লিখিত রসিদ/মেমো ছাড়া আমার সম্পত্তি, গাড়ি বা অর্থ আটক রাখা যায় না।”
আইন কী বলে
  • • ১. পার্কিং ফি গ্রহণ করলেই চুক্তি আইনের ১৪৮ ধারা অনুযায়ী বেইলমেন্টের আইনি দায়িত্ব বর্তায়।
  • • ২. রসিদে একতরফা শর্ত ছাপিয়ে মল কর্তৃপক্ষ চুরি বা ক্ষতির আইনি দায় এড়াতে পারে না।
  • • ৩. অবহেলার কারণে গাড়ি চুরি বা ভাঙচুর হলে পার্কিং ম্যানেজমেন্ট ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য।
ঘটনাস্থলে শান্তভাবে কী বলবেন ও করবেন
  1. ১. পেইড পার্কিং রসিদটি যত্নসহকারে সংরক্ষণ করুন এবং সিসিটিভি ক্যামেরার ছবি তুলে রাখুন।
  2. ২. তৎক্ষণাৎ ১১২ নম্বরে ফোন করে থানায় চুরির এফআইআর দায়ের করুন।
  3. ৩. সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের জন্য পুলিশে আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা দিন।
  4. ৪. মল কর্তৃপক্ষকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়ে কনজিউমার কোর্টে সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দাবি করুন।
AI পরামর্শ ও প্রতিকার
E-Commerce Shield ⚠️ SELLER & PLATFORM LIABLE FOR FAKE/EMPTY PARCEL 🌐 দেশজুড়ে প্রযোজ্য

ই-কমার্স জালিয়াতি: পার্সেলে সাবান বা নকল সামগ্রী পেলে দ্রুত রিফান্ড পাওয়ার উপায় কী?

ক্রেতা সুরক্ষা (ই-কমার্স) বিধিমালা ২০২০ অনুযায়ী, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম কোনোভাবেই জালিয়াতির দায় এড়াতে পারে না। তদন্ত করে দ্রুত সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়া বাধ্যতামূলক।

প্রাসঙ্গিক আইন ও ধারা: Consumer Protection (E-Commerce) Rules, 2020 & Section 2(47) Consumer Protection Act, 2019
সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ: Article 21 (Protection of economic security), Article 19(1)(g) (Fair trade standards) (অনুচ্ছেদ 21 →) (অনুচ্ছেদ 19 →)
কর্মকর্তাকে শান্ত ভাষায় যা বলবেন:
🛡️ অনুচ্ছেদ 21, 19 কবচ
“ম্যানেজার মহাশয়, Consumer Protection (E-Commerce) Rules, 2020 & Section 2(47) Consumer Protection Act, 2019 অনুযায়ী, অনলাইন মার্কেটপ্লেস কর্তৃপক্ষ নকল পণ্যের ক্ষেত্রে নিজেদের কেবল "মধ্যস্থতাকারী" বলে দায় এড়াতে পারে না। সংবিধানের Article 21 (Protection of economic security), Article 19(1)(g) (Fair trade standards) অনুযায়ী এটি আমার মৌলিক স্বাধীনতা; কোনো বিধিনিষেধ থাকলে অনুগ্রহ করে লিখিত সরকারি আদেশ দেখান।”
আইন কী বলে
  • • ১. অনলাইন মার্কেটপ্লেস কর্তৃপক্ষ নকল পণ্যের ক্ষেত্রে নিজেদের কেবল "মধ্যস্থতাকারী" বলে দায় এড়াতে পারে না।
  • • ২. অভিযোগ পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্ল্যাটফর্মকে আনুষ্ঠানিক উত্তর দিতে হবে।
  • • ৩. পার্সেল খোলার নিরবচ্ছিন্ন ভিডিও কনজিউমার ফোরামে অকাট্য প্রমাণ হিসেবে গ্রাহ্য হয়।
ঘটনাস্থলে শান্তভাবে কী বলবেন ও করবেন
  1. ১. পার্সেলের শিপিং লেবেল ও সিল অক্ষত থাকা অবস্থায় আনবক্সিং ভিডিও রেকর্ড করুন।
  2. ২. শপিং অ্যাপে ছবি সহ অবিলম্বে রিটার্ন ও রিফান্ড রিকোয়েস্ট জমা দিন।
  3. ৩. আবেদন নাকচ করলে জাতীয় ক্রেতা সুরক্ষা হেল্পলাইন ১৯১৫-এ ফোন করুন।
  4. ৪. ই-দাখিল পোর্টালে (edaakhil.nic.in) ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে অনলাইন মামলা করুন।
AI পরামর্শ ও প্রতিকার
Student Rights ⛔ COACHING CENTERS CANNOT FORFEIT FULL ADVANCE FEES 🌐 দেশজুড়ে প্রযোজ্য

মাঝপথে কোচিং সেন্টার ছাড়লে: কর্তৃপক্ষ কি অগ্রিম দেওয়া বাকি ফি ফেরত দিতে অস্বীকার করতে পারে?

সম্পূর্ণ বেআইনি! সুপ্রিম কোর্ট ও সিসিপিএ নির্দেশিকা অনুযায়ী, শিক্ষার্থী মাঝপথে পড়া ছেড়ে দিলে কোচিং সেন্টার বাকি মেয়াদের অগ্রিম টাকা আটকে রাখতে পারে না। আনুপাতিক রিফান্ড দেওয়া বাধ্যতামূলক।

প্রাসঙ্গিক আইন ও ধারা: Guidelines for Prevention of Misleading Advertisements in Coaching Sector (CCPA 2024) & Supreme Court rulings
সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ: Article 14 (Protection from arbitrary contracts), Article 21 (Right to Education & Livelihood) (অনুচ্ছেদ 14 →) (অনুচ্ছেদ 21 →)
কর্মকর্তাকে শান্ত ভাষায় যা বলবেন:
🛡️ অনুচ্ছেদ 14, 21 কবচ
“সিসিপিএ গাইডলাইন ২০২৪ অনুযায়ী ১০ দিনের মধ্যে বাকি ফি ফেরত প্রদান করুন।\ (সংবিধানের Article 14 (Protection from arbitrary contracts), Article 21 (Right to Education & Livelihood) দ্বারা সুরক্ষিত)।”
আইন কী বলে
  • • ১. ২-৩ বছরের কোর্স ফি এককালীন আদায় করা এবং ছাড়ার সুযোগ না দেওয়া বেআইনি বাণিজ্যিক কার্যকলাপ।
  • • ২. কোর্স ছাড়ার আবেদন করার ১০ দিনের মধ্যে বাকি মেয়াদের আনুপাতিক অর্থ ফেরত দিতে হবে।
  • • ৩. "একবার দেওয়া ফি ফেরতযোগ্য নয়" মর্মে কোনো শর্ত চুক্তি আইনে পুরোপুরি অবৈধ।
ঘটনাস্থলে শান্তভাবে কী বলবেন ও করবেন
  1. ১. কোচিং ডিরেক্টরকে কোর্স ছাড়ার লিখিত আবেদনপত্র জমা দিন।
  2. ২. চিঠিতে উল্লেখ করুন: "সিসিপিএ গাইডলাইন ২০২৪ অনুযায়ী ১০ দিনের মধ্যে বাকি ফি ফেরত প্রদান করুন।\"
  3. ৩. ফি ফেরত না দিলে কনজিউমার হেল্পলাইন ১৯১৫-এ ডায়াল করে অভিযোগ জানান।
  4. ৪. জেলা ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে অন্যায্য বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করুন।
AI পরামর্শ ও প্রতিকার
Railway Rights ⚠️ TRAIN DELAYED 3+ HOURS: 100% REFUND VIA TDR 🌐 দেশজুড়ে প্রযোজ্য

ট্রেন ৩ ঘণ্টার বেশি দেরি: যাত্রা বাতিল করলে কি বিনা পেনাল্টিতে ১০০% রিফান্ড পাওয়া যায়?

হ্যাঁ! রেলওয়ে বিধি অনুযায়ী যাত্রা শুরুর স্টেশনে ট্রেন ৩ ঘণ্টার বেশি দেরিতে চললে যাত্রী ভ্রমণ বাতিল করলে টিডিআর (TDR) দাখিলের মাধ্যমে সম্পূর্ণ ১০০% টিকিটের অর্থ ফেরত পান।

প্রাসঙ্গিক আইন ও ধারা: Railway Passenger (Cancellation of Ticket and Refund of Fare) Rules, 2015
সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ: Article 21 (Fair treatment by public utilities), Article 19(1)(d) (Freedom of Movement) (অনুচ্ছেদ 21 →) (অনুচ্ছেদ 19 →)
কর্মকর্তাকে শান্ত ভাষায় যা বলবেন:
🛡️ অনুচ্ছেদ 21, 19 কবচ
“Train Late More Than Three Hours and Passenger Not Traveled (সংবিধানের Article 21 (Fair treatment by public utilities), Article 19(1)(d) (Freedom of Movement) দ্বারা সুরক্ষিত)।”
আইন কী বলে
  • • ১. যাত্রা শুরুর স্টেশনে ট্রেন ৩ ঘণ্টার বেশি দেরি হলে ভ্রমণ না করলে সম্পূর্ণ ১০০% ভাড়া ফেরত পাওয়া যায়।
  • • ২. অনলাইন আইআরসিটিসি টিকিটের ক্ষেত্রে ট্রেন ছাড়ার আগেই পোর্টালে টিডিআর (TDR) ফাইল করতে হবে।
  • • ৩. কাউন্টার টিকিট হলে ট্রেন ছাড়ার আগে বুকিং কাউন্টারে টিকিট জমা দিয়ে নগদ অর্থ সংগ্রহ করুন।
ঘটনাস্থলে শান্তভাবে কী বলবেন ও করবেন
  1. ১. এনটিইএস (NTES) অ্যাপে ট্রেনের লাইভ স্ট্যাটাস দেখে ৩ ঘণ্টার বেশি বিলম্ব নিশ্চিত করুন।
  2. ২. আইআরসিটিসি অ্যাপে যান -> File TDR -> কারণ নির্বাচন করুন: "Train Late More Than Three Hours and Passenger Not Traveled"।
  3. ৩. ট্রেন স্টেশন ছাড়ার পূর্বেই টিডিআর অনলাইনে সাবমিট করুন।
  4. ৪. ৫ থেকে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে ব্যাংকে ১০০% অর্থ জমা হবে।
AI পরামর্শ ও প্রতিকার
Privacy Rights ⚠️ FINANCIAL SPAM CALLS: DISCONNECTION & PENALTY 🌐 দেশজুড়ে প্রযোজ্য

ডিএনডি থাকা সত্ত্বেও লোন ও ক্রেডিট কার্ডের স্প্যাম কল: কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার উপায় কী?

ট্রাই (TRAI) নিয়মাবলী অনুযায়ী ডিএনডি নম্বরে বাণিজ্যিক স্প্যাম কল করা সম্পূর্ণ বেআইনি। নিয়ম ভাঙলে কলারের সিম সংযোগ স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং জরিমানা করা হয়।

প্রাসঙ্গিক আইন ও ধারা: Telecom Commercial Communications Customer Preference Regulations (TCCCPR), 2018 (TRAI)
সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ: Article 21 (Right to Privacy - Puttaswamy Judgment), Article 19 (Freedom from commercial intrusion) (অনুচ্ছেদ 21 →) (অনুচ্ছেদ 19 →)
কর্মকর্তাকে শান্ত ভাষায় যা বলবেন:
🛡️ অনুচ্ছেদ 21, 19 কবচ
“ম্যানেজার মহাশয়, Telecom Commercial Communications Customer Preference Regulations (TCCCPR), 2018 (TRAI) অনুযায়ী, রাত ৯টা থেকে সকাল ৯টার মধ্যে কোনো বাণিজ্যিক ফোন কল করা যাবে না। সংবিধানের Article 21 (Right to Privacy - Puttaswamy Judgment), Article 19 (Freedom from commercial intrusion) অনুযায়ী এটি আমার মৌলিক স্বাধীনতা; কোনো বিধিনিষেধ থাকলে অনুগ্রহ করে লিখিত সরকারি আদেশ দেখান।”
আইন কী বলে
  • • ১. রাত ৯টা থেকে সকাল ৯টার মধ্যে কোনো বাণিজ্যিক ফোন কল করা যাবে না।
  • • ২. ডিএনডি অ্যাক্টিভ নম্বরে কল করলে সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কড়া জরিমানা প্রযোজ্য।
  • • ৩. ৩টি প্রমাণিত অভিযোগের পর সংশ্লিষ্ট টেলি মার্কেটারের সমস্ত সিম ১ বছরের জন্য ব্ল্যাকলিস্ট করা হয়।
ঘটনাস্থলে শান্তভাবে কী বলবেন ও করবেন
  1. ১. ১৯০৯ নম্বরে "START 0" লিখে এসএমএস পাঠিয়ে ডিএনডি সক্রিয় রাখুন।
  2. ২. কল আসার ৩ দিনের মধ্যে ১৯০৯-এ বিস্তারিত লিখে এসএমএস অভিযোগ পাঠান।
  3. ৩. অথবা "TRAI DND 3.0" অফিসিয়াল অ্যাপের মাধ্যমে এক ক্লিকে রিপোর্ট করুন।
  4. ৪. টেলিকম কোম্পানি অভিযোগ খতিয়ে দেখে নম্বর বন্ধ করবে এবং রিপোর্ট পাঠাবে।
AI পরামর্শ ও প্রতিকার
Aviation Rights ⚠️ AIRLINE LIABLE FOR LOST/DAMAGED LUGGAGE 🌐 দেশজুড়ে প্রযোজ্য

বিমানযাত্রায় ব্যাগেজ বা লাগেজ হারালে বা ভাঙলে: এয়ারলাইন্সের থেকে আইনি ক্ষতিপূরণ পাওয়ার নিয়ম কী?

ডিজিসিএ বিধি ও আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন আইন অনুযায়ী, লাগেজ হারিয়ে গেলে বা ভেঙে গেলে এয়ারলাইন্স ঘরোয়া বিমানে ২০,০০০ টাকা এবং আন্তর্জাতিক বিমানে সর্বোচ্চ প্রায় ১.৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য।

প্রাসঙ্গিক আইন ও ধারা: Carriage by Air Act 1972 & DGCA CAR Section 3, Series M, Part IV
সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ: Article 21 (Protection of Personal Property), Article 300A (Right to Property) (অনুচ্ছেদ 21 →) (অনুচ্ছেদ 300A →)
কর্মকর্তাকে শান্ত ভাষায় যা বলবেন:
🛡️ অনুচ্ছেদ 21, 300A কবচ
“ম্যানেজার মহাশয়, Carriage by Air Act 1972 & DGCA CAR Section 3, Series M, Part IV অনুযায়ী, বেল্টে লাগেজ না এলে এয়ারপোর্ট থেকে বের হওয়ার আগেই অ্যারাইভাল কাউন্টারে রিপোর্ট করুন। সংবিধানের Article 21 (Protection of Personal Property), Article 300A (Right to Property) অনুযায়ী বৈধ আইনি প্রক্রিয়া ও লিখিত রসিদ/মেমো ছাড়া আমার সম্পত্তি, গাড়ি বা অর্থ আটক রাখা যায় না।”
আইন কী বলে
  • • ১. বেল্টে লাগেজ না এলে এয়ারপোর্ট থেকে বের হওয়ার আগেই অ্যারাইভাল কাউন্টারে রিপোর্ট করুন।
  • • ২. লাগেজ দেরিতে এলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য এয়ারলাইন্স দৈনিক ভাতা দিতে বাধ্য।
  • • ৩. ২১ দিনের মধ্যে লাগেজ উদ্ধার না হলে সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ প্রদান করা বাধ্যতামূলক।
ঘটনাস্থলে শান্তভাবে কী বলবেন ও করবেন
  1. ১. এয়ারলাইন্স কাউন্টারে গিয়ে প্রোপার্টি ইরেগুলারিটি রিপোর্ট (PIR) নম্বর সংগ্রহ করুন।
  2. ২. বোর্ডিং পাসে লাগানো ব্যাগেজ স্টিকারটি যত্ন করে রাখুন।
  3. ৩. ব্যাগে থাকা জিনিসপত্রের তালিকা তৈরি করে ৭ দিনের মধ্যে এয়ারলাইন্সকে মেল করুন।
  4. ৪. ন্যায্য ক্ষতিপূরণ না দিলে কনজিউমার ফোরামে মামলা দায়ের করুন।
AI পরামর্শ ও প্রতিকার
Consumer Rights ✅ GYM CLOSURE/RELOCATION: FULL PRO-RATA REFUND MANDATORY 🌐 দেশজুড়ে প্রযোজ্য

জিম বন্ধ হয়ে গেলে বা দূরে সরলে: জিম কর্তৃপক্ষ কি বাকি মেয়াদের অগ্রিম ফি ফেরত দিতে অস্বীকার করতে পারে?

সম্পূর্ণ বেআইনি! ক্রেতা সুরক্ষা আইন ২০১৯ অনুযায়ী জিম বন্ধ হয়ে গেলে বা অন্য জায়গায় চলে গেলে বাকি মেয়াদের অগ্রিম ফি আটকে রাখা বেআইনি বাণিজ্যিক কার্যকলাপ। সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়া বাধ্যতামূলক।

প্রাসঙ্গিক আইন ও ধারা: Section 2(47) & Section 35 Consumer Protection Act, 2019
সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ: Article 14 (Protection against unfair contracts), Article 300A (Right against arbitrary forfeiture of funds) (অনুচ্ছেদ 14 →) (অনুচ্ছেদ 300A →)
কর্মকর্তাকে শান্ত ভাষায় যা বলবেন:
🛡️ অনুচ্ছেদ 14, 300A কবচ
“ম্যানেজার মহাশয়, Section 2(47) & Section 35 Consumer Protection Act, 2019 অনুযায়ী, "ফি কোনো অবস্থাতেই ফেরতযোগ্য নয়" মর্মে একতরফা চুক্তি ক্রেতা সুরক্ষা আইনে অকার্যকর। সংবিধানের Article 14 (Protection against unfair contracts), Article 300A (Right against arbitrary forfeiture of funds) অনুযায়ী বৈধ আইনি প্রক্রিয়া ও লিখিত রসিদ/মেমো ছাড়া আমার সম্পত্তি, গাড়ি বা অর্থ আটক রাখা যায় না।”
আইন কী বলে
  • • ১. "ফি কোনো অবস্থাতেই ফেরতযোগ্য নয়" মর্মে একতরফা চুক্তি ক্রেতা সুরক্ষা আইনে অকার্যকর।
  • • ২. জিম বন্ধের ১৪ দিনের মধ্যে অব্যবহৃত সময়ের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দিতে হবে।
  • • ৩. অগ্রিম টাকা নিয়ে জিম বন্ধ করে মালিক গা ঢাকা দিলে BNS ৩১৮ ধারায় প্রতারণার মামলা হবে।
ঘটনাস্থলে শান্তভাবে কী বলবেন ও করবেন
  1. ১. জিম মেম্বারশিপের রসিদ ও ব্যাংকের পেমেন্ট ট্রানজ্যাকশন হিস্ট্রি প্রমাণ হিসেবে রাখুন।
  2. ২. মালিককে ৭ দিনের সময় দিয়ে বাকি ফি রিফান্ডের আনুষ্ঠানিক লিগ্যাল নোটিশ দিন।
  3. ৩. ন্যাশনাল কনজিউমার হেল্পলাইন ১৯১৫-এ ফোন করে অবিলম্বে অভিযোগ নথিভুক্ত করুন।
  4. ৪. ই-দাখিল পোর্টালে কনজিউমার ফোরামে মামলা করে সম্পূর্ণ অর্থ ও ক্ষতিপূরণ আদায় করুন।
AI পরামর্শ ও প্রতিকার
Food Safety ⚠️ SELLING EXPIRED FOOD: HEAVY PENALTY UNDER FSSAI 🌐 দেশজুড়ে প্রযোজ্য

সুপারমার্কেট মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য বা শিশু খাদ্য বিক্রি করলে: এফএসএসএআই (FSSAI) আইনে কী শাস্তি?

খাদ্য নিরাপত্তা ও মানক আইন ২০০৬ অনুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার বা শিশুখাদ্য বিক্রি করা কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এতে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

প্রাসঙ্গিক আইন ও ধারা: Section 59 Food Safety and Standards Act, 2006 (FSSAI) & Consumer Protection Act 2019
সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ: Article 21 (Right to Safe and Adulteration-free Food as part of Right to Life), Article 47 (Duty of State to improve public health) (অনুচ্ছেদ 21 →) (অনুচ্ছেদ 47 →)
কর্মকর্তাকে শান্ত ভাষায় যা বলবেন:
🛡️ অনুচ্ছেদ 21, 47 কবচ
“ম্যানেজার মহাশয়, Section 59 Food Safety and Standards Act, 2006 (FSSAI) & Consumer Protection Act 2019 অনুযায়ী, কোনো সুপারমার্কেট কোনো ছাড় বা অফারের নাম দিয়েও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি করতে পারে না। সংবিধানের Article 21 (Right to Safe and Adulteration-free Food as part of Right to Life), Article 47 (Duty of State to improve public health) অনুযায়ী এটি আমার সুরক্ষিত অধিকার; দয়া করে নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া ও লিখিত আদেশের মাধ্যমে পদক্ষেপ নিন।”
আইন কী বলে
  • • ১. কোনো সুপারমার্কেট কোনো ছাড় বা অফারের নাম দিয়েও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি করতে পারে না।
  • • ২. এই খাবার খেয়ে কেউ অসুস্থ হলে বিক্রেতার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা হবে।
  • • ৩. ফুড সেফটি অফিসার তাৎক্ষণিকভাবে দোকানটি সিল করে লাইসেন্স বাতিল করতে পারেন।
ঘটনাস্থলে শান্তভাবে কী বলবেন ও করবেন
  1. ১. ক্রয়ের রসিদ বা বিল সংরক্ষণ করুন এবং পণ্যের মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ ও ব্যাচ নম্বরের ছবি তুলুন।
  2. ২. প্যাকেটটি ফেলবেন না, প্রমাণ হিসেবে মূল মোড়কে সংরক্ষণ করুন।
  3. ৩. এফএসএসএআই পোর্টাল (foscos.fssai.gov.in)-এ অনলাইন ফুড ইন্সপেক্টর রিপোর্ট জমা দিন।
  4. ৪. ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে মামলা করে ক্ষতিপূরণ ও শাস্তির দাবি করুন।
AI পরামর্শ ও প্রতিকার
← পূর্ববর্তী 1 2 পরবর্তী →
EN-IN • STUDIO VOICE
Preparing studio neural voice...