সশস্ত্র বাহিনী ইত্যাদির ক্ষেত্রে মৌলিক অধিকার সীমিত বা পরিবর্তন করার সংসদের ক্ষমতা
সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (TL;DR)
অনুচ্ছেদ 33 (সশস্ত্র বাহিনী ইত্যাদির ক্ষেত্রে মৌলিক অধিকার সীমিত বা পরিবর্তন করার সংসদের ক্ষমতা): ৩য় অংশের অধীনে বলবৎযোগ্য মৌলিক অধিকার ও সাংবিধানিক সুরক্ষা।
সহজ নাগরিক ভাষায় অর্থ
সংবিধানের ৩য় অংশের (মৌলিক অধিকার) অনুচ্ছেদ 33 'সশস্ত্র বাহিনী ইত্যাদির ক্ষেত্রে মৌলিক অধিকার সীমিত বা পরিবর্তন করার সংসদের ক্ষমতা' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি মৌলিক অধিকারের প্রয়োগ, জনকল্যাণমূলক আইনের সুরক্ষা (৩১এ-৩১সি), সশস্ত্র বাহিনীর শৃঙ্খলা (৩৩) এবং মৌলিক অধিকার কার্যকর করতে সংসদের একচেটিয়া আইন প্রণয়ন ক্ষমতা (৩৫) নির্ধারণ করে।
আপনার কী কী অধিকার রয়েছে?
সাংবিধানিক বিধান (অনুচ্ছেদ 33): Part III-এর অধীনে 'সশস্ত্র বাহিনী ইত্যাদির ক্ষেত্রে মৌলিক অধিকার সীমিত বা পরিবর্তন করার সংসদের ক্ষমতা' বিষয়ে বাধ্যতামূলক আইনি নিয়ম নির্ধারণ করে
এতে 1টি দফা (Clauses) ও 6টি উপ-দফা-এর মাধ্যমে স্পষ্ট পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে
স্বেচ্ছাচারী প্রশাসনিক আদেশের পরিবর্তে সংসদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও জবাবদিহিতা বাধ্যতামূলক করে
ব্যতিক্রম ও যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ (সীমাবদ্ধতা)
কেশবানন্দ ভারতী এবং আই.আর. কোয়েলহো (২০০৭) রায় অনুযায়ী, সংবিধানের মূল কাঠামো লঙ্ঘনকারী কোনো আইনই সুপ্রিম কোর্টের বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনার ঊর্ধ্বে নয়।
দৈনন্দিন জীবনে এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ব্যক্তিগত মৌলিক স্বাধীনতা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং জাতীয় নিরাপত্তার মধ্যে সুষম সাংবিধানিক ভারসাম্য রক্ষা করে।
আরও গভীরে পড়তে চান? সরকারি গেজেট পাঠ অথবা সুপ্রিম কোর্টের রায় ও গণপরিষদ বিতর্ক দেখুন: