জরুরি নাগরিক হেল্পলাইন

🏛️
🇮🇳 ভারতের সর্বোচ্চ আইন • ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ প্রবর্তিত

ভারতের সম্পূর্ণ সংবিধান ও ডিজিটাল সংগ্রহশালা

বিশ্বের বৃহত্তম লিখিত সংবিধানের ৩৯৫টি অনুচ্ছেদ, ২৫টি অংশ ও ১২টি তফসিল পড়ুন সহজ নাগরিক ভাষায়, সাথে সংবিধান সভার ঐতিহাসিক বিতর্ক ও আদালতের রায়।

395+
অনুচ্ছেদ (Articles)
25
অংশ (Parts)
12
তফসিল (Schedules)
106
সংশোধনী (Amendments)
📜 প্রস্তাবনা “আমরা, ভারতের জনগণ, ভারতকে একটি সার্বভৌম সমাজতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্র রূপে গড়ে তুলতে...”
“আমরা, ভারতের জনগণ, ভারতকে একটি সার্বভৌম সমাজতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্র রূপে গড়ে তুলতে এবং তার সকল নাগরিক যাতে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ন্যায়বিচার; চিন্তা, মত প্রকাশ, বিশ্বাস, ধর্ম ও উপাসনার স্বাধীনতা; সামাজিক মর্যাদা ও সুযোগের সমতা লাভ করে এবং তাদের সকলের মধ্যে ব্যক্তি-মর্যাদা ও জাতীয় ঐক্য ও সংহতির আশ্বাসক ভ্রাতৃত্বভাব গড়ে তুলতে দৃঢ়সংকল্প হয়ে আমাদের সংবিধান সভায় অদ্য ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর তারিখে এতদ্বারা এই সংবিধান গ্রহণ, বিধিবদ্ধ ও নিজেদের প্রদান করছি।”
Page 15 • সহজ নাগরিক ভাষায় ব্যাখ্যাকৃত
অনুচ্ছেদ 352
Part XVIII

জরুরি অবস্থা ঘোষণা (National Emergency)

অনুচ্ছেদ ৩৫২ জাতীয় জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান। ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার তিক্ত অভিজ্ঞতার পর ৪৪তম সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে এতে কড়া সুরক্ষাকবচ যুক্ত করা হয়: শুধুমাত্র সম্পূর্ণ মন্ত্রিসভার লিখিত পরামর্শে এটি জারি হতে পারে এবং ১ মাসের মধ্যে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার অনুমোদন আবশ্যক।

অনুচ্ছেদ 353
Part XVIII

জরুরি অবস্থা ঘোষণার প্রভাব

সংবিধানের ১৮শ অংশের (জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান) অনুচ্ছেদ 353 'জরুরি অবস্থা ঘোষণার প্রভাব' নির্ধারণ করে। এটি জাতীয় জরুরি অবস্থা (৩৫২-৩৫৪), রাজ্যকে রক্ষার কেন্দ্রীয় দায়িত্ব (৩৫৫), রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন (৩৫৬-৩৫৭), মৌলিক অধিকারের অবস্থান (৩৫৮-৩৫৯) এবং আর্থিক জরুরি অবস্থা (৩৬০) পরিচালনা করে। ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৭৮) পর জরুরি অবস্থাতেও অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) কখনোই স্থগিত করা যায় না।

অনুচ্ছেদ 354
Part XVIII

জরুরি অবস্থা চলাকালীন রাজস্ব বণ্টন সংক্রান্ত বিধানের প্রয়োগ

সংবিধানের ১৮শ অংশের (জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান) অনুচ্ছেদ 354 'জরুরি অবস্থা চলাকালীন রাজস্ব বণ্টন সংক্রান্ত বিধানের প্রয়োগ' নির্ধারণ করে। এটি জাতীয় জরুরি অবস্থা (৩৫২-৩৫৪), রাজ্যকে রক্ষার কেন্দ্রীয় দায়িত্ব (৩৫৫), রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন (৩৫৬-৩৫৭), মৌলিক অধিকারের অবস্থান (৩৫৮-৩৫৯) এবং আর্থিক জরুরি অবস্থা (৩৬০) পরিচালনা করে। ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৭৮) পর জরুরি অবস্থাতেও অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) কখনোই স্থগিত করা যায় না।

অনুচ্ছেদ 355
Part XVIII

বহিঃশত্রুর আক্রমণ ও অভ্যন্তরীণ গোলযোগ থেকে রাজ্যকে রক্ষা করার ইউনিয়নের কর্তব্য

সংবিধানের ১৮শ অংশের (জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান) অনুচ্ছেদ 355 'বহিঃশত্রুর আক্রমণ ও অভ্যন্তরীণ গোলযোগ থেকে রাজ্যকে রক্ষা করার ইউনিয়নের কর্তব্য' নির্ধারণ করে। এটি জাতীয় জরুরি অবস্থা (৩৫২-৩৫৪), রাজ্যকে রক্ষার কেন্দ্রীয় দায়িত্ব (৩৫৫), রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন (৩৫৬-৩৫৭), মৌলিক অধিকারের অবস্থান (৩৫৮-৩৫৯) এবং আর্থিক জরুরি অবস্থা (৩৬০) পরিচালনা করে। ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৭৮) পর জরুরি অবস্থাতেও অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) কখনোই স্থগিত করা যায় না।

অনুচ্ছেদ 356
Part XVIII

রাজ্যে সাংবিধানিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির বিধান

অনুচ্ছেদ ৩৫৬ রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির ক্ষমতা প্রদান করে। অতীতে রাজনৈতিকভাবে বিরোধী দলের নির্বাচিত সরকার ফেলে দেওয়ার জন্য এর অপব্যবহার হতো। সুপ্রিম কোর্টের ৯ বিচারপতির ঐতিহাসিক 'এস.আর. বোম্মাই (১৯৯৪)' রায় স্পষ্ট করে দেয় যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা যাচাই কেবল বিধানসভার ভেতরেই হতে হবে এবং বেআইনিভাবে বরখাস্ত সরকার আদালত পুনর্বহাল করতে পারে।

অনুচ্ছেদ 357
Part XVIII

অনুচ্ছেদ ৩৫৬-এর অধীনে জারি করা ঘোষণার অধীনে আইন প্রণয়ন ক্ষমতার প্রয়োগ

সংবিধানের ১৮শ অংশের (জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান) অনুচ্ছেদ 357 'অনুচ্ছেদ ৩৫৬-এর অধীনে জারি করা ঘোষণার অধীনে আইন প্রণয়ন ক্ষমতার প্রয়োগ' নির্ধারণ করে। এটি জাতীয় জরুরি অবস্থা (৩৫২-৩৫৪), রাজ্যকে রক্ষার কেন্দ্রীয় দায়িত্ব (৩৫৫), রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন (৩৫৬-৩৫৭), মৌলিক অধিকারের অবস্থান (৩৫৮-৩৫৯) এবং আর্থিক জরুরি অবস্থা (৩৬০) পরিচালনা করে। ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৭৮) পর জরুরি অবস্থাতেও অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) কখনোই স্থগিত করা যায় না।

অনুচ্ছেদ 358
Part XVIII

জরুরি অবস্থা চলাকালীন অনুচ্ছেদ ১৯-এর বিধানসমূহ স্থগিতকরণ

সংবিধানের ১৮শ অংশের (জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান) অনুচ্ছেদ 358 'জরুরি অবস্থা চলাকালীন অনুচ্ছেদ ১৯-এর বিধানসমূহ স্থগিতকরণ' নির্ধারণ করে। এটি জাতীয় জরুরি অবস্থা (৩৫২-৩৫৪), রাজ্যকে রক্ষার কেন্দ্রীয় দায়িত্ব (৩৫৫), রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন (৩৫৬-৩৫৭), মৌলিক অধিকারের অবস্থান (৩৫৮-৩৫৯) এবং আর্থিক জরুরি অবস্থা (৩৬০) পরিচালনা করে। ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৭৮) পর জরুরি অবস্থাতেও অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) কখনোই স্থগিত করা যায় না।

অনুচ্ছেদ 359
Part XVIII

জরুরি অবস্থা চলাকালীন তৃতীয় ভাগের অধিকারসমূহ বলবৎ স্থগিতকরণ (অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ ব্যতীত)

সংবিধানের ১৮শ অংশের (জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান) অনুচ্ছেদ 359 'জরুরি অবস্থা চলাকালীন তৃতীয় ভাগের অধিকারসমূহ বলবৎ স্থগিতকরণ (অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ ব্যতীত)' নির্ধারণ করে। এটি জাতীয় জরুরি অবস্থা (৩৫২-৩৫৪), রাজ্যকে রক্ষার কেন্দ্রীয় দায়িত্ব (৩৫৫), রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন (৩৫৬-৩৫৭), মৌলিক অধিকারের অবস্থান (৩৫৮-৩৫৯) এবং আর্থিক জরুরি অবস্থা (৩৬০) পরিচালনা করে। ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৭৮) পর জরুরি অবস্থাতেও অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) কখনোই স্থগিত করা যায় না।

অনুচ্ছেদ 360
Part XVIII

আর্থিক জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান (Financial Emergency)

সংবিধানের ১৮শ অংশের (জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান) অনুচ্ছেদ 360 'আর্থিক জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান (Financial Emergency)' নির্ধারণ করে। এটি জাতীয় জরুরি অবস্থা (৩৫২-৩৫৪), রাজ্যকে রক্ষার কেন্দ্রীয় দায়িত্ব (৩৫৫), রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন (৩৫৬-৩৫৭), মৌলিক অধিকারের অবস্থান (৩৫৮-৩৫৯) এবং আর্থিক জরুরি অবস্থা (৩৬০) পরিচালনা করে। ৪৪তম সংবিধান সংশোধনীর (১৯৭৮) পর জরুরি অবস্থাতেও অনুচ্ছেদ ২০ ও ২১ (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) কখনোই স্থগিত করা যায় না।

অনুচ্ছেদ 361
Part XIX

রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের আইনি সুরক্ষা

সংবিধানের ১৯শ অংশের (বিবিধ) অনুচ্ছেদ 361 'রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের আইনি সুরক্ষা' পরিচালনা করে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের পদের মেয়াদে কার্যগত দায়মুক্তি (কিন্তু সরকারের বিরুদ্ধে নাগরিকের মামলা করার অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে - ৩৬১), সংসদ ও বিধানসভার সত্য কার্যবিধি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের স্বাধীনতা (৩৬১এ), রাজন্যভাতা বা প্রিভি পার্স বিলোপ (৩৬৩এ) এবং সংবিধানের মূল সংজ্ঞাসমূহ (৩৬৬-৩৬৭) অন্তর্ভুক্ত।

অনুচ্ছেদ 361A
Part XIX

সংসদ ও রাজ্য আইনসভার কার্যধারার প্রকাশনার সুরক্ষা

সংবিধানের ১৯শ অংশের (বিবিধ) অনুচ্ছেদ 361A 'সংসদ ও রাজ্য আইনসভার কার্যধারার প্রকাশনার সুরক্ষা' পরিচালনা করে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের পদের মেয়াদে কার্যগত দায়মুক্তি (কিন্তু সরকারের বিরুদ্ধে নাগরিকের মামলা করার অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে - ৩৬১), সংসদ ও বিধানসভার সত্য কার্যবিধি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের স্বাধীনতা (৩৬১এ), রাজন্যভাতা বা প্রিভি পার্স বিলোপ (৩৬৩এ) এবং সংবিধানের মূল সংজ্ঞাসমূহ (৩৬৬-৩৬৭) অন্তর্ভুক্ত।

অনুচ্ছেদ 361B
Part XIX

লাভজনক রাজনৈতিক পদে নিয়োগের অযোগ্যতা

সংবিধানের ১৯শ অংশের (বিবিধ) অনুচ্ছেদ 361B 'লাভজনক রাজনৈতিক পদে নিয়োগের অযোগ্যতা' পরিচালনা করে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের পদের মেয়াদে কার্যগত দায়মুক্তি (কিন্তু সরকারের বিরুদ্ধে নাগরিকের মামলা করার অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে - ৩৬১), সংসদ ও বিধানসভার সত্য কার্যবিধি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের স্বাধীনতা (৩৬১এ), রাজন্যভাতা বা প্রিভি পার্স বিলোপ (৩৬৩এ) এবং সংবিধানের মূল সংজ্ঞাসমূহ (৩৬৬-৩৬৭) অন্তর্ভুক্ত।

অনুচ্ছেদ 363
Part XIX

নির্দিষ্ট কিছু চুক্তি ও সমঝোতা থেকে উদ্ভূত বিরোধে আদালতের হস্তক্ষেপে নিষেধাজ্ঞা

সংবিধানের ১৯শ অংশের (বিবিধ) অনুচ্ছেদ 363 'নির্দিষ্ট কিছু চুক্তি ও সমঝোতা থেকে উদ্ভূত বিরোধে আদালতের হস্তক্ষেপে নিষেধাজ্ঞা' পরিচালনা করে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের পদের মেয়াদে কার্যগত দায়মুক্তি (কিন্তু সরকারের বিরুদ্ধে নাগরিকের মামলা করার অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে - ৩৬১), সংসদ ও বিধানসভার সত্য কার্যবিধি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের স্বাধীনতা (৩৬১এ), রাজন্যভাতা বা প্রিভি পার্স বিলোপ (৩৬৩এ) এবং সংবিধানের মূল সংজ্ঞাসমূহ (৩৬৬-৩৬৭) অন্তর্ভুক্ত।

অনুচ্ছেদ 363A
Part XIX

দেশীয় রাজ্যের শাসকদের স্বীকৃতি সমাপ্তি এবং প্রিভি পার্স বিলোপ

সংবিধানের ১৯শ অংশের (বিবিধ) অনুচ্ছেদ 363A 'দেশীয় রাজ্যের শাসকদের স্বীকৃতি সমাপ্তি এবং প্রিভি পার্স বিলোপ' পরিচালনা করে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের পদের মেয়াদে কার্যগত দায়মুক্তি (কিন্তু সরকারের বিরুদ্ধে নাগরিকের মামলা করার অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে - ৩৬১), সংসদ ও বিধানসভার সত্য কার্যবিধি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের স্বাধীনতা (৩৬১এ), রাজন্যভাতা বা প্রিভি পার্স বিলোপ (৩৬৩এ) এবং সংবিধানের মূল সংজ্ঞাসমূহ (৩৬৬-৩৬৭) অন্তর্ভুক্ত।

অনুচ্ছেদ 364
Part XIX

প্রধান বন্দর ও বিমানবন্দর সংক্রান্ত বিশেষ বিধান

সংবিধানের ১৯শ অংশের (বিবিধ) অনুচ্ছেদ 364 'প্রধান বন্দর ও বিমানবন্দর সংক্রান্ত বিশেষ বিধান' পরিচালনা করে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের পদের মেয়াদে কার্যগত দায়মুক্তি (কিন্তু সরকারের বিরুদ্ধে নাগরিকের মামলা করার অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে - ৩৬১), সংসদ ও বিধানসভার সত্য কার্যবিধি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের স্বাধীনতা (৩৬১এ), রাজন্যভাতা বা প্রিভি পার্স বিলোপ (৩৬৩এ) এবং সংবিধানের মূল সংজ্ঞাসমূহ (৩৬৬-৩৬৭) অন্তর্ভুক্ত।

অনুচ্ছেদ 365
Part XIX

ইউনিয়ন কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশ পালনে বা কার্যকর করতে ব্যর্থতার ফলাফল

সংবিধানের ১৯শ অংশের (বিবিধ) অনুচ্ছেদ 365 'ইউনিয়ন কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশ পালনে বা কার্যকর করতে ব্যর্থতার ফলাফল' পরিচালনা করে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের পদের মেয়াদে কার্যগত দায়মুক্তি (কিন্তু সরকারের বিরুদ্ধে নাগরিকের মামলা করার অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে - ৩৬১), সংসদ ও বিধানসভার সত্য কার্যবিধি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের স্বাধীনতা (৩৬১এ), রাজন্যভাতা বা প্রিভি পার্স বিলোপ (৩৬৩এ) এবং সংবিধানের মূল সংজ্ঞাসমূহ (৩৬৬-৩৬৭) অন্তর্ভুক্ত।

অনুচ্ছেদ 366
Part XIX

সাংবিধানিক সংজ্ঞাসমূহ

সংবিধানের ১৯শ অংশের (বিবিধ) অনুচ্ছেদ 366 'সাংবিধানিক সংজ্ঞাসমূহ' পরিচালনা করে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের পদের মেয়াদে কার্যগত দায়মুক্তি (কিন্তু সরকারের বিরুদ্ধে নাগরিকের মামলা করার অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে - ৩৬১), সংসদ ও বিধানসভার সত্য কার্যবিধি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের স্বাধীনতা (৩৬১এ), রাজন্যভাতা বা প্রিভি পার্স বিলোপ (৩৬৩এ) এবং সংবিধানের মূল সংজ্ঞাসমূহ (৩৬৬-৩৬৭) অন্তর্ভুক্ত।

অনুচ্ছেদ 367
Part XIX

ব্যাখ্যা (সংবিধান ব্যাখ্যার সাধারণ নিয়ম)

সংবিধানের ১৯শ অংশের (বিবিধ) অনুচ্ছেদ 367 'ব্যাখ্যা (সংবিধান ব্যাখ্যার সাধারণ নিয়ম)' পরিচালনা করে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের পদের মেয়াদে কার্যগত দায়মুক্তি (কিন্তু সরকারের বিরুদ্ধে নাগরিকের মামলা করার অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে - ৩৬১), সংসদ ও বিধানসভার সত্য কার্যবিধি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের স্বাধীনতা (৩৬১এ), রাজন্যভাতা বা প্রিভি পার্স বিলোপ (৩৬৩এ) এবং সংবিধানের মূল সংজ্ঞাসমূহ (৩৬৬-৩৬৭) অন্তর্ভুক্ত।

অনুচ্ছেদ 368
Part XX

সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে সংসদের ক্ষমতা এবং তার পদ্ধতি

অনুচ্ছেদ ৩৬৮ সংবিধান সংশোধনের নিয়মাবলী নির্ধারণ করে। সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন করা যায়। তবে ১৯৭৩ সালের 'কেশববানন্দ ভারতী' ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে যে সংসদ সংবিধানের 'মৌলিক কাঠামো' (গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, আইনের শাসন, বিচারবিভাগের স্বাধীনতা) ধ্বংস করতে পারে না।

অনুচ্ছেদ 369
Part XXI

রাজ্য তালিকার কিছু বিষয়ে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সংসদের অস্থায়ী ক্ষমতা

সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 369 'রাজ্য তালিকার কিছু বিষয়ে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সংসদের অস্থায়ী ক্ষমতা' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।

অনুচ্ছেদ 370
Part XXI

জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য সংক্রান্ত অস্থায়ী বিধান (২০১৯ সালে রদকৃত)

ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০ ১৯৪৭ সালের অক্টোবরে মহারাজা হরি সিং স্বাক্ষরিত অন্তর্ভুক্তি দলিলের ভিত্তিতে ১৯৪৯ সালে সংবিধানে একটি 'অস্থায়ী বিধান' হিসেবে যুক্ত হয়। সাংবিধানিক প্রেক্ষাপট: ১. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ভারতীয় সংসদের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা প্রতিরক্ষা, বৈদেশিক বিষয়, যোগাযোগ ও অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে সীমাবদ্ধ ছিল। অন্যান্য বিষয়ে রাজ্য সরকারের সম্মতি প্রয়োজন হতো এবং রাজ্যের নিজস্ব সংবিধান ছিল। ২. ২০১৯ সালের যুগান্তকারী পরিবর্তন: ২০১৯ সালের ৫-৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক আদেশ C.O. ২৭২ ও ২৭৩ জারি করে ৩৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকরভাবে রদ করেন এবং ভারতের সম্পূর্ণ সংবিধান জম্মু ও কাশ্মীরে বলবৎ করেন। ৩. রাজ্য পুনর্গঠন: সংসদ ২০১৯ সালে পুনর্গঠন আইন পাস করে রাজ্যটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করে—জম্মু ও কাশ্মীর (বিধানসভা সহ) এবং লাদাখ (বিধানসভা ব্যতীত)। ৪. সুপ্রিম কোর্টের ৫ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চের ঐতিহাসিক রায় (১১ ডিসেম্বর ২০২৩): প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সর্বসম্মতিক্রমে ৩৭০ রদকে সম্পূর্ণ বৈধ ঘোষণা করে এবং পর্যবেক্ষণ করে যে জম্মু-কাশ্মীরের কোনো পৃথক অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্ব ছিল না এবং ৩৭০ সর্বদাই একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা ছিল।

অনুচ্ছেদ 371
Part XXI

মহারাষ্ট্র ও গুজরাট রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান

সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 371 'মহারাষ্ট্র ও গুজরাট রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।

অনুচ্ছেদ 371A
Part XXI

নাগাল্যান্ড রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান

সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 371A 'নাগাল্যান্ড রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।

অনুচ্ছেদ 371B
Part XXI

আসাম রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান

সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 371B 'আসাম রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।

অনুচ্ছেদ 371C
Part XXI

মণিপুর রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান

সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 371C 'মণিপুর রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।

অনুচ্ছেদ 371D
Part XXI

অন্ধ্রপ্রদেশ বা তেলেঙ্গানা রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান

সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 371D 'অন্ধ্রপ্রদেশ বা তেলেঙ্গানা রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।

অনুচ্ছেদ 371E
Part XXI

অন্ধ্রপ্রদেশে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন

সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 371E 'অন্ধ্রপ্রদেশে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।

অনুচ্ছেদ 371F
Part XXI

সিকিম রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান

সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 371F 'সিকিম রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।

অনুচ্ছেদ 371G
Part XXI

মিজোরাম রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান

সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 371G 'মিজোরাম রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।

অনুচ্ছেদ 371H
Part XXI

অরুণাচল প্রদেশ রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান

সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 371H 'অরুণাচল প্রদেশ রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।

পাবলিক ডোমেইন (Public Domain) ও বিধিবদ্ধ প্রামাণিকতা বিজ্ঞপ্তি

ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭-এর ধারা ৫২(১)(কিউ) অনুযায়ী ভারতের সংবিধান, সংসদের আইন, সরকারি গেজেট এবং সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের রায়সমূহ পাবলিক ডোমেইনের (Public Domain) অন্তর্ভুক্ত। এই পাঠ্যটি ভারত সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রকের লেজিসলেটিভ ডিপার্টমেন্টের (India Code) সরকারি আর্কাইভ থেকে সংগৃহীত।

EN-IN • STUDIO VOICE
Preparing studio neural voice...