সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 371I 'গোয়া রাজ্য সংক্রান্ত বিশেষ বিধান' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।
সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 372 'বিদ্যমান আইনসমূহ বলবৎ থাকা এবং সেগুলির অভিযোজন' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।
সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 372A 'আইনের অভিযোজন করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।
সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 373 'নিবারক আটকে রাখা ব্যক্তিদের বিষয়ে আদেশ প্রদানের রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।
সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 374 'ফেডারেল কোর্টের বিচারপতি এবং ফেডারেল কোর্টে বিচারাধীন কার্যধারা সংক্রান্ত বিধান' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।
সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 375 'সংবিধানের বিধান সাপেক্ষে আদালত, কর্তৃপক্ষ ও আধিকারিকদের কার্য পরিচালনা অব্যাহত থাকা' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।
সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 376 'হাইকোর্টের বিচারপতিদের সংক্রান্ত বিধান' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।
সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 377 'ভারতের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর-জেনারেল সংক্রান্ত বিধান' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।
সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 378 'পাবলিক সার্ভিস কমিশন সংক্রান্ত বিধান' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।
সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 378A 'অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভার মেয়াদ সংক্রান্ত বিশেষ বিধান' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।
সংবিধানের ২১শ অংশের অনুচ্ছেদ 392 'অসুবিধা দূর করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা' নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন রাজ্যের (অনুচ্ছেদ ৩৭১ সিরিজ: মহারাষ্ট্র, গুজরাট, নাগাল্যান্ড, আসাম, মণিপুর, অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ, গোয়া ইত্যাদি) আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সুরক্ষা, অথবা ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রবর্তনের সময় বিদ্যমান আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিকতা (অনুচ্ছেদ ৩৭২-৩৯২) পরিচালনা করে।
সংবিধানের সর্বশেষ ২২শ অংশের (অনুচ্ছেদ ৩৯৩-৩৯৫) অনুচ্ছেদ 393 'সংক্ষিপ্ত শিরোনাম (ভারতের সংবিধান)' সংক্রান্ত ঐতিহাসিক বিধান দেয়। অনুচ্ছেদ ৩৯৩ এই দলিলের নাম দেয় 'ভারতের সংবিধান', অনুচ্ছেদ ৩৯৪ ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ তারিখটিকে পূর্ণ প্রবর্তনের দিন ঘোষণা করে, অনুচ্ছেদ ৩৯৪এ হিন্দিতে প্রামাণ্য পাঠের বিধান দেয় এবং অনুচ্ছেদ ৩৯৫ ব্রিটিশ আমলের ১৯৩৫ ও ১৯৪৭ সালের আইন বাতিল করে ভারতের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করে।
সংবিধানের সর্বশেষ ২২শ অংশের (অনুচ্ছেদ ৩৯৩-৩৯৫) অনুচ্ছেদ 394 'সংবিধানের প্রবর্তন (Commencement)' সংক্রান্ত ঐতিহাসিক বিধান দেয়। অনুচ্ছেদ ৩৯৩ এই দলিলের নাম দেয় 'ভারতের সংবিধান', অনুচ্ছেদ ৩৯৪ ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ তারিখটিকে পূর্ণ প্রবর্তনের দিন ঘোষণা করে, অনুচ্ছেদ ৩৯৪এ হিন্দিতে প্রামাণ্য পাঠের বিধান দেয় এবং অনুচ্ছেদ ৩৯৫ ব্রিটিশ আমলের ১৯৩৫ ও ১৯৪৭ সালের আইন বাতিল করে ভারতের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করে।
সংবিধানের সর্বশেষ ২২শ অংশের (অনুচ্ছেদ ৩৯৩-৩৯৫) অনুচ্ছেদ 394A 'হিন্দি ভাষায় প্রামাণিক পাঠ (Authoritative Text in Hindi)' সংক্রান্ত ঐতিহাসিক বিধান দেয়। অনুচ্ছেদ ৩৯৩ এই দলিলের নাম দেয় 'ভারতের সংবিধান', অনুচ্ছেদ ৩৯৪ ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ তারিখটিকে পূর্ণ প্রবর্তনের দিন ঘোষণা করে, অনুচ্ছেদ ৩৯৪এ হিন্দিতে প্রামাণ্য পাঠের বিধান দেয় এবং অনুচ্ছেদ ৩৯৫ ব্রিটিশ আমলের ১৯৩৫ ও ১৯৪৭ সালের আইন বাতিল করে ভারতের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করে।
সংবিধানের সর্বশেষ ২২শ অংশের (অনুচ্ছেদ ৩৯৩-৩৯৫) অনুচ্ছেদ 395 'রদ বা বাতিলকরণ (Repeals)' সংক্রান্ত ঐতিহাসিক বিধান দেয়। অনুচ্ছেদ ৩৯৩ এই দলিলের নাম দেয় 'ভারতের সংবিধান', অনুচ্ছেদ ৩৯৪ ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ তারিখটিকে পূর্ণ প্রবর্তনের দিন ঘোষণা করে, অনুচ্ছেদ ৩৯৪এ হিন্দিতে প্রামাণ্য পাঠের বিধান দেয় এবং অনুচ্ছেদ ৩৯৫ ব্রিটিশ আমলের ১৯৩৫ ও ১৯৪৭ সালের আইন বাতিল করে ভারতের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করে।