জরুরি নাগরিক হেল্পলাইন

🏛️
🇮🇳 ভারতের সর্বোচ্চ আইন • ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ প্রবর্তিত

ভারতের সম্পূর্ণ সংবিধান ও ডিজিটাল সংগ্রহশালা

বিশ্বের বৃহত্তম লিখিত সংবিধানের ৩৯৫টি অনুচ্ছেদ, ২৫টি অংশ ও ১২টি তফসিল পড়ুন সহজ নাগরিক ভাষায়, সাথে সংবিধান সভার ঐতিহাসিক বিতর্ক ও আদালতের রায়।

395+
অনুচ্ছেদ (Articles)
25
অংশ (Parts)
12
তফসিল (Schedules)
106
সংশোধনী (Amendments)
📜 প্রস্তাবনা “আমরা, ভারতের জনগণ, ভারতকে একটি সার্বভৌম সমাজতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্র রূপে গড়ে তুলতে...”
“আমরা, ভারতের জনগণ, ভারতকে একটি সার্বভৌম সমাজতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্র রূপে গড়ে তুলতে এবং তার সকল নাগরিক যাতে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ন্যায়বিচার; চিন্তা, মত প্রকাশ, বিশ্বাস, ধর্ম ও উপাসনার স্বাধীনতা; সামাজিক মর্যাদা ও সুযোগের সমতা লাভ করে এবং তাদের সকলের মধ্যে ব্যক্তি-মর্যাদা ও জাতীয় ঐক্য ও সংহতির আশ্বাসক ভ্রাতৃত্বভাব গড়ে তুলতে দৃঢ়সংকল্প হয়ে আমাদের সংবিধান সভায় অদ্য ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর তারিখে এতদ্বারা এই সংবিধান গ্রহণ, বিধিবদ্ধ ও নিজেদের প্রদান করছি।”
Page 1 • সহজ নাগরিক ভাষায় ব্যাখ্যাকৃত
অনুচ্ছেদ 21 মৌলিক অধিকার — নাগরিক সুরক্ষা কবচ
Part III

জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার (মর্যাদা ও গোপনীয়তার অধিকার)

ধারা ২১ মাত্র একটি বাক্যে লেখা—'আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি ব্যতীত কোনো ব্যক্তিকে তার জীবন বা ব্যক্তিগত স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না'—কিন্তু এটি বিশ্বের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে সবচেয়ে বিস্তৃত মানবাধিকার সনদে পরিণত হয়েছে। এতে 'ব্যক্তি' শব্দটি ব্যবহৃত হওয়ায় এটি ভারতীয় নাগরিক ও বিদেশি—উভয়কেই সুরক্ষা দেয়। ১৯৭৮ সালের ঐতিহাসিক 'মেনকা গান্ধী বনাম ভারত সরকার' রায়ে সুপ্রিম কোর্ট ধারা ১৪, ১৯ ও ২১-কে যুক্ত করে 'স্বর্ণালী ত্রিভুজ' (Golden Triangle) প্রতিষ্ঠা করে। আদালত ঘোষণা করে যে 'জীবন' মানে কেবল পশুর মতো বেঁচে থাকা বা নিঃশ্বাস নেওয়া নয়—এর অর্থ 'পূর্ণ মানবিক মর্যাদার সাথে বেঁচে থাকার অধিকার'। এছাড়া যে আইনের মাধ্যমে স্বাধীনতা সীমিত করা হবে, সেই আইনটিকে অবশ্যই 'ন্যায্য, নিরপেক্ষ ও যুক্তিসঙ্গত' (Just, Fair and Reasonable) হতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট ধারা ২১-এর ভেতর ৩৫টিরও বেশি অলিখিত মৌলিক অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে—যার মধ্যে রয়েছে গোপনীয়তার অধিকার (পুট্টাস্বামী, ২০১৭), জরুরি চিকিৎসার অধিকার (পরমানন্দ কাটার, ১৯৮৯), জীবিকা ও বাসস্থানের অধিকার (ওলগা টেলিস, ১৯৮৫), পরিচ্ছন্ন বাতাস ও পানীয় জলের অধিকার, দ্রুত বিচার ও বিনামূল্যে আইনি সহায়তা (হুসেনআরা খাতুন, ১৯৭৯), বিনা কারণে হাতকড়া পরানো ও হেফাজতে নির্যাতন থেকে মুক্তি এবং মর্যাদার সাথে মৃত্যুর অধিকার (Living Will)।

Page 1
পাবলিক ডোমেইন (Public Domain) ও বিধিবদ্ধ প্রামাণিকতা বিজ্ঞপ্তি

ভারতীয় কপিরাইট আইন, ১৯৫৭-এর ধারা ৫২(১)(কিউ) অনুযায়ী ভারতের সংবিধান, সংসদের আইন, সরকারি গেজেট এবং সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের রায়সমূহ পাবলিক ডোমেইনের (Public Domain) অন্তর্ভুক্ত। এই পাঠ্যটি ভারত সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রকের লেজিসলেটিভ ডিপার্টমেন্টের (India Code) সরকারি আর্কাইভ থেকে সংগৃহীত।

EN-IN • STUDIO VOICE
Preparing studio neural voice...