সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 152 'সংজ্ঞা (ষষ্ঠ ভাগের ক্ষেত্রে রাজ্য শব্দের অর্থ)' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 153 'রাজ্যসমূহের রাজ্যপাল' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 154 'রাজ্যের শাসনবিভাগীয় ক্ষমতা' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 155 'রাজ্যপালের নিয়োগ' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 156 'রাজ্যপালের পদের মেয়াদ' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 157 'রাজ্যপাল হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার যোগ্যতা' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 158 'রাজ্যপালের পদের শর্তাবলী' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 159 'রাজ্যপাল কর্তৃক শপথ বা প্রতিজ্ঞা গ্রহণ' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 160 'নির্দিষ্ট আকস্মিক পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের কার্যাবলী সম্পাদন' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 161 'দণ্ড ক্ষমা, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষেত্রে রাজ্যপালের ক্ষমতা' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 162 'রাজ্যের শাসনবিভাগীয় ক্ষমতার পরিধি' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 163 'রাজ্যপালকে সাহায্য ও পরামর্শ দানের জন্য রাজ্য মন্ত্রিসভা' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 164 'মন্ত্রীদের সম্পর্কিত অন্যান্য বিধান (মুখ্যমন্ত্রীর নিয়োগ ও বিধানসভার কাছে দায়বদ্ধতা)' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 165 'রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল (Advocate-General)' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 166 'রাজ্য সরকারের কার্যাবলী পরিচালনা' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের (রাজ্য শাসন) অনুচ্ছেদ 167 'রাজ্যপালকে তথ্য প্রদান ইত্যাদি বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কর্তব্য' নির্ধারণ করে। এটি রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়োগ ও মেয়াদ, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য মন্ত্রিসভার পরামর্শ, রাজ্যের অ্যাডভোকেট-জেনারেল এবং রাজ্য সরকারের কার্যপরিচালনার সাংবিধানিক নিয়ম স্থাপন করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 168 'রাজ্য আইনসভার গঠন' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 169 'রাজ্যসমূহে বিধান পরিষদ বিলোপ বা গঠন' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 170 'বিধানসভার গঠন' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 171 'বিধান পরিষদের গঠন' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 172 'রাজ্য আইনসভার মেয়াদ' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 173 'রাজ্য আইনসভার সদস্যপদের যোগ্যতা' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 174 'রাজ্য আইনসভার অধিবেশন, স্থগিতকরণ এবং ভেঙে দেওয়া' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 175 'আইনসভায় ভাষণ দান ও বার্তা পাঠানোর ক্ষেত্রে রাজ্যপালের অধিকার' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 176 'রাজ্যপালের বিশেষ ভাষণ' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 177 'আইনসভার কক্ষসমূহে মন্ত্রী ও অ্যাডভোকেট-জেনারেলের অধিকার' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 178 'বিধানসভার স্পিকার (অধ্যক্ষ) এবং ডেপুটি স্পিকার (উপাধ্যক্ষ)' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 179 'স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য হওয়া, পদত্যাগ ও অপসারণ' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 180 'স্পিকারের দায়িত্ব পালন করার ক্ষেত্রে ডেপুটি স্পিকার বা অন্য ব্যক্তির ক্ষমতা' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 181 'স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের অপসারণের প্রস্তাব বিবেচনাধীন থাকলে তাঁর সভাপতিত্ব না করা' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 182 'বিধান পরিষদের চেয়ারম্যান ও ডেপুটি চেয়ারম্যান' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 183 'চেয়ারম্যান ও ডেপুটি চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হওয়া, পদত্যাগ ও অপসারণ' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 184 'চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করার ক্ষেত্রে ডেপুটি চেয়ারম্যান বা অন্য ব্যক্তির ক্ষমতা' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 185 'চেয়ারম্যান বা ডেপুটি চেয়ারম্যানের অপসারণের প্রস্তাব বিবেচনাধীন থাকলে তাঁর সভাপতিত্ব না করা' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 186 'স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চেয়ারম্যান ও ডেপুটি চেয়ারম্যানের বেতন ও ভাতা' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 187 'রাজ্য আইনসভার সচিবালয়' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 188 'বিধায়কদের শপথ বা প্রতিজ্ঞা গ্রহণ' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 189 'আইনসভায় ভোটদান, শূন্যপদ সত্ত্বেও কার্য পরিচালনার ক্ষমতা এবং কোরাম' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 190 'আসন শূন্য হওয়া' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 191 'বিধায়ক বা সদস্যপদের অযোগ্যতাসমূহ' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 192 'সদস্যদের অযোগ্যতা সংক্রান্ত প্রশ্নের নিষ্পত্তি' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 193 'শপথ গ্রহণের পূর্বে বা অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও অধিবেশনে বসা ও ভোট দেওয়ার দণ্ড' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 194 'রাজ্য আইনসভার কক্ষ এবং সদস্য ও কমিটিসমূহের ক্ষমতা ও বিশেষাধিকার' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 195 'বিধায়কদের বেতন ও ভাতা' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 196 'বিল উত্থাপন ও পাস করার সংক্রান্ত বিধান' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 197 'অর্থ বিল ব্যতীত অন্যান্য বিলের ক্ষেত্রে বিধান পরিষদের ক্ষমতার ওপর বিধিনিষেধ' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 198 'অর্থ বিল সংক্রান্ত বিশেষ পদ্ধতি' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 199 'রাজ্য আইনসভায় "অর্থ বিল" (Money Bill)-এর সংজ্ঞা' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 200 'বিলে রাজ্যপালের সম্মতি প্রদান' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 201 'রাষ্ট্রপতির বিবেচনার জন্য সংরক্ষিত বিল' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 202 'বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি (রাজ্য বাজেট)' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 203 'প্রাক্কলন সংক্রান্ত আইনসভার পদ্ধতি' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 204 'নির্দিষ্টকরণ বিল (Appropriation Bills)' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 205 'অতিরিক্ত বা সম্পূরক অনুদান' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 206 'ভোট অন অ্যাকাউন্ট, ভোট অফ ক্রেডিট এবং ব্যতিক্রমী অনুদান' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 207 'আর্থিক বিল সংক্রান্ত বিশেষ বিধান' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 208 'কার্যপ্রণালী বিধি' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 209 'রাজ্য আইনসভায় আর্থিক কার্যাবলী সংক্রান্ত পদ্ধতির আইনি নিয়ন্ত্রণ' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 210 'রাজ্য আইনসভায় ব্যবহৃত ভাষা' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 211 'আইনসভায় আলোচনার ওপর বিধিনিষেধ' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৩য় অধ্যায়ে (রাজ্য আইনসভা) অনুচ্ছেদ 212 'আইনসভার কার্যধারা সম্পর্কে আদালতের তদন্ত না করা' পরিচালনা করে। এটি রাজ্য বিধানসভা ও বিধান পরিষদের গঠন, বিধায়কদের (MLA) যোগ্যতা-অযোগ্যতা, স্পিকারের দায়িত্ব, রাজ্যের বাজেট ও বিল পাস এবং বিলে সম্মতি প্রদানের (অনুচ্ছেদ ২০০-২০১) নিয়ম নির্ধারণ করে।
সংবিধানের Part VI-এ অবস্থিত অনুচ্ছেদ 213 'বিধানসভার অধিবেশন না থাকাকালীন অধ্যাদেশ (Ordinance) জারির রাজ্যপালের ক্ষমতা' সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট সাংবিধানিক নিয়ম ও পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 214 রাজ্যের হাইকোর্টে 'রাজ্যসমূহের জন্য হাইকোর্ট' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 215 রাজ্যের হাইকোর্টে 'হাইকোর্টসমূহ অভিলেখ আদালত (Court of Record) হবে' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 216 রাজ্যের হাইকোর্টে 'হাইকোর্টের গঠন' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 217 রাজ্যের হাইকোর্টে 'হাইকোর্টের বিচারপতির নিয়োগ ও পদের শর্তাবলী' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 218 রাজ্যের হাইকোর্টে 'সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত নির্দিষ্ট কিছু বিধানের হাইকোর্টে প্রয়োগ' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 219 রাজ্যের হাইকোর্টে 'হাইকোর্টের বিচারপতিদের শপথ বা প্রতিজ্ঞা গ্রহণ' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 220 রাজ্যের হাইকোর্টে 'স্থায়ী বিচারপতি থাকার পর আইন পেশায় (ওকালতি) বিধিনিষেধ' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 221 রাজ্যের হাইকোর্টে 'হাইকোর্টের বিচারপতিদের বেতন ও ভাতা' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 222 রাজ্যের হাইকোর্টে 'এক হাইকোর্ট থেকে অন্য হাইকোর্টে বিচারপতির বদলি' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 223 রাজ্যের হাইকোর্টে 'ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নিয়োগ' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 224 রাজ্যের হাইকোর্টে 'অতিরিক্ত ও ভারপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়োগ' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 224A রাজ্যের হাইকোর্টে 'হাইকোর্টের অধিবেশনে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়োগ' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 225 রাজ্যের হাইকোর্টে 'বিদ্যমান হাইকোর্টসমূহের এক্তিয়ার' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
ধারা ২২৬ হলো সাধারণ ভারতীয় নাগরিকের দৈনন্দিন জীবনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সাংবিধানিক অস্ত্র, কারণ এর জন্য দিল্লিতে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার প্রয়োজন নেই—নিজের রাজ্যের হাইকোর্টেই তাৎক্ষণিক আবেদন করা যায়। এর অধীনে হাইকোর্ট তার এক্তিয়ারভুক্ত যেকোনো পুলিশ অফিসার, জেলাশাসক, পুরসভা, বিদ্যুৎ পর্ষদ বা সরকারি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ৫টি রিট (হেবিয়াস কর্পাস, ম্যান্ডামাস, প্রোহিবিশন, সার্টিওরারি ও কো ওয়ারেন্টো) বা নির্দেশ জারি করতে পারে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আইনি পরিধির দিক থেকে ধারা ২২৬-এর ব্যাপ্তি ধারা ৩২-এর চেয়েও প্রশস্ত: সুপ্রিম কোর্ট ধারা ৩২-এ কেবল 'মৌলিক অধিকার' লঙ্ঘিত হলেই রিট জারি করে, কিন্তু হাইকোর্ট ধারা ২২৬-এ মৌলিক অধিকারের পাশাপাশি 'অন্য যেকোনো উদ্দেশ্যে' (For any other purpose)—যেমন সম্পত্তির অধিকার (ধারা ৩০০A), বেআইনি বুলডোজার উচ্ছেদ, চাকরি বা পেনশন বিরোধ, অন্যায় ট্যাক্স নোটিশ বা মিথ্যে FIR বাতিলের ক্ষেত্রেও তাৎক্ষণিক রিট ও স্থগিতাদেশ (Stay) দিতে পারে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 227 রাজ্যের হাইকোর্টে 'অধস্তন সকল আদালতের ওপর হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 228 রাজ্যের হাইকোর্টে 'নির্দিষ্ট কিছু মামলা হাইকোর্টে স্থানান্তর' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 229 রাজ্যের হাইকোর্টে 'হাইকোর্টের আধিকারিক, কর্মচারী এবং ব্যয়' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 230 রাজ্যের হাইকোর্টে 'কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহে হাইকোর্টের এক্তিয়ার সম্প্রসারণ' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৫ম অধ্যায়ে অনুচ্ছেদ 231 রাজ্যের হাইকোর্টে 'দুই বা ততোধিক রাজ্যের জন্য একটি সাধারণ হাইকোর্ট স্থাপন' বিষয়ে বিধান দেয়। এটি হাইকোর্টের গঠন, বিচারপতিদের নিয়োগ ও পদের নিরাপত্তা, কোর্ট অব রেকর্ড ক্ষমতা (২১৫), রিট জারির ক্ষমতা (২২৬) এবং রাজ্যের সকল নিম্ন আদালতের তদারকি (২২৭) নিশ্চিত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে (অধস্তন আদালত) অনুচ্ছেদ 233 'জেলা জজদের (District Judges) নিয়োগ' নির্ধারণ করে। এটি জেলা জজ ও নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাজনিত নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সরাসরি হাইকোর্টের অধীনে ন্যস্ত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে (অধস্তন আদালত) অনুচ্ছেদ 233A 'নির্দিষ্ট কিছু জেলা জজের নিয়োগ ও প্রদত্ত রায়ের বৈধকরণ' নির্ধারণ করে। এটি জেলা জজ ও নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাজনিত নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সরাসরি হাইকোর্টের অধীনে ন্যস্ত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে (অধস্তন আদালত) অনুচ্ছেদ 234 'জেলা জজ ব্যতীত বিচারবিভাগীয় পরিষেবায় অন্যান্য ব্যক্তিদের নিয়োগ' নির্ধারণ করে। এটি জেলা জজ ও নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাজনিত নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সরাসরি হাইকোর্টের অধীনে ন্যস্ত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে (অধস্তন আদালত) অনুচ্ছেদ 235 'অধস্তন আদালতসমূহের ওপর হাইকোর্টের নিয়ন্ত্রণ' নির্ধারণ করে। এটি জেলা জজ ও নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাজনিত নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সরাসরি হাইকোর্টের অধীনে ন্যস্ত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে (অধস্তন আদালত) অনুচ্ছেদ 236 'ব্যাখ্যা (অধস্তন আদালত সংক্রান্ত সংজ্ঞা)' নির্ধারণ করে। এটি জেলা জজ ও নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাজনিত নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সরাসরি হাইকোর্টের অধীনে ন্যস্ত করে।
সংবিধানের ৬ষ্ঠ অংশের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে (অধস্তন আদালত) অনুচ্ছেদ 237 'নির্দিষ্ট শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটদের ক্ষেত্রে এই অধ্যায়ের বিধানসমূহের প্রয়োগ' নির্ধারণ করে। এটি জেলা জজ ও নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাজনিত নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রেখে সরাসরি হাইকোর্টের অধীনে ন্যস্ত করে।